খুঁজুন
বুধবার, ২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্যারিসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কমিউনিটির উদ্যোগে কবির আহমেদ ভুঁইয়াকে সংবর্ধনা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
প্যারিসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া কমিউনিটির উদ্যোগে কবির আহমেদ ভুঁইয়াকে সংবর্ধনা

বাংলাদেশ সংবাদপত্র ডেস্কঃ

ফ্রান্সে বসবাসরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া কমিউনিটির উদ্যোগে সংক্ষিপ্ত ব্যবসায়িক সফরে প্যারিস আগমন উপলক্ষে ভূঁইয়া গ্লোবাল ফাউন্ডেশন–এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি–র সদস্য আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভুঁইয়াকে গতকাল ১৩ মে প্যারিসের একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মিলনমেলায় পরিণত হওয়া এ আয়োজনকে ঘিরে পুরো প্যারিসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতিসন্তান ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাকিবুর রহমান উজ্জ্বল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাবেক ছাত্রনেতা ও ফ্রান্স যুবদলের সহ-সভাপতি কাজী আব্দুর রেজা তুহিন এবং ব্যবসায়ী কামরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
এম এ তাহের, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ফ্রান্স বিএনপি
মাহবুব আলম রাঙ্গা, সাবেক সহ-সভাপতি, ফ্রান্স বিএনপি
জুনায়েদ আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ফ্রান্স বিএনপি
এসএম মিল্টন সরকার, সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক, যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি
কবির আহমেদ, ব্যবসায়ী ও ফ্রান্স বিএনপির সিনিয়র নেতা
আরমান সোহেল, ব্যবসায়ী ও ফ্রান্স বিএনপি নেতা
জাহাঙ্গীর আলম মিলন, ব্যবসায়ী ও ফ্রান্স বিএনপি নেতা
নাজির উদ্দিন যশরী, ব্যবসায়ী ও ফ্রান্স বিএনপি নেতা
মোহাম্মদ হাবিব, ব্যবসায়ী
মো. কামরুল হাসান, ব্যবসায়ী
এছাড়া ফ্রান্স যুবদলের সহ-সভাপতি মির্জা খালেদ, যুবদল নেতা সাইদুর রহমান নিজাম, তানজিরুল আবাস, সাবেক ছাত্রনেতা আশিকুর রহমানসহ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য
সংবর্ধিত প্রধান অতিথি আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভুঁইয়া প্রবাসীদের প্রশংসা করে বলেন—
“প্রবাসীরা বাংলাদেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার অন্যতম প্রধান শক্তি। যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতিতে আপনারা দেশকে সাহস, শ্রম ও সহযোগিতা দিয়ে এগিয়ে নিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উন্নয়নে আমি আপনাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে চাই।”
তিনি ভূঁইয়া গ্লোবাল ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাবমূর্তি উন্নয়নের বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তার বক্তব্যে আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভুঁইয়া প্রবাসীদের জীবন ও কর্মক্ষেত্র সহজতর করতে সরকারের প্রতি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব তুলে ধরেন। তিনি বলেন—
বিদেশে কর্মরত অভিজ্ঞ সিনিয়র প্রবাসীদের জ্ঞান, দক্ষতা ও নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সরকার আরও বৃহৎ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে।
প্রতিটি দেশের বাংলাদেশ হাইকমিশনকে ওয়ান স্টপ সার্ভিস হিসেবে পাসপোর্ট নবায়ন, জন্মনিবন্ধন ও অন্যান্য সত্যায়ন দ্রুততম সময়ে প্রদান করতে হবে।
বিদেশে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে আনার সরকারি ব্যবস্থা আরও সম্প্রসারিত করতে হবে।
একসময় চালু থাকা প্যারিস–ঢাকা সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর দাবি জানান তিনি। এতে প্রবাসীরা উপকৃত হবেন, একই সঙ্গে সরকারও রাজস্ব আয় বাড়াতে পারবে এবং প্যারিশেবল পণ্য দ্রুত পরিবহন সম্ভব হবে। এতে রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি হবে।
তিনি আরও বলেন—
“প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় যদি অভিজ্ঞ প্রবাসীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে, আগামী পাঁচ বছরে কমপক্ষে দুই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব। এতে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়বে এবং জনসংখ্যা সমস্যা শক্তিতে রূপান্তরিত হবে।”
একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে প্রবাসী ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের উন্নয়ন ও বিনিয়োগে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে হবে, দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে শক্ত ভিত্তিতে দাঁড় করাতে এখনই প্রবাসীদের বিনিয়োগ জরুরি। তিনি বলেন—
“বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে আমাদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।”

বিশেষ অতিথিগন তাদের বক্তব্যে বলেন, প্রবাসী কমিউনিটির ঐক্য, সংগঠনশক্তি ও সামাজিক অবদান দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ। তারা আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভুঁইয়ার জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড, দূরদর্শী নেতৃত্ব ও প্রবাসীদের প্রতি তার আন্তরিক অবস্থানকে বিশেষভাবে মূল্যায়ন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া অঞ্চলের নেতাকর্মীদের মিলনমেলা, সৌহার্দ্য, ঐক্য ও আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানটি প্রবাসীদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। অনুষ্ঠানের শেষাংশে অতিথিদের সম্মাননা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ের ‘গ্র্যান্ড ফেলিসিটেশন’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
   
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ের ‘গ্র্যান্ড ফেলিসিটেশন’ অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্রাঞ্চের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য “Grand Felicitation” (কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা) প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষে ফোকাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া একঝাঁক মেধাবী শিক্ষার্থীকে এ সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার মহাপরিচালক জুলফিকার হায়দার রাফি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার পরিচালক ইয়াছিন আরাফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইম্পেরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মনির হোসেন।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ফোকাসের সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ।
আতাউল্লা সজীব (সিনিয়র শিক্ষক, সাধারণ জ্ঞান বিভাগ)
ইলিয়াস হোসেন (সিনিয়র শিক্ষক, বাংলা বিভাগ)
জাহিদ উদ্দিন (সিনিয়র শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ)
অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে সঞ্চালনা করেন ফোকাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সহকারী পরিচালক মেহেরাব হোসেন।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ ও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বক্তারা বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাওয়া কেবল একটি নিয়মতান্ত্রিক অর্জন নয়, এটি দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার এক বিরাট সুযোগ। তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে সৎ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতা দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের ফোকাস পরিবারের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। নিজেদের সাফল্যের এমন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে বর্ণিল এই আয়োজনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
   
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ

দেশের সর্ববৃহৎ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’-এর স্থিতিশীলতা রক্ষা, সুশাসন নিশ্চিত, গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং এমডি ওমর ফারুকের পুনর্বহাল ও চেয়ারম্যানের পদত্যাগের
দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৪ মে) সকাল ১০ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামী ব্যাংক শাখার সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক সচেতন ফোরাম-এর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে ব্যাংকের বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ গ্রাহক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

এ সময় আন্দোলনকারী গ্রাহকদের হাতে বিভিন্ন দাবি সংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড দেখা যায় এবং তারা ব্যাংকের নিরাপত্তা ও আমানত রক্ষার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তা ও সাধারণ গ্রাহকেরা ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তারা জানান, বিগত দিনে এস আলম গ্রুপ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে এবং ভুয়া এলসি, শেল কোম্পানি ও অনিয়মিত ঋণের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। এই আর্থিক কেলেঙ্কারির কারণে ব্যাংকের মূল ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকের সফল ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ ওমর ফারুক খানকে অন্যায়ভাবে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে, যা মূলত তাকে জোরপূর্বক পদচ্যুত করার একটি অপচেষ্টা। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকদের মনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেকে ব্যাংক থেকে আমানত উত্তোলন শুরু করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ব্যাংকের ঐতিহ্য ও সুশাসন বজায় রাখতে গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে মূলত ৫টি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়: এমডি ওমর ফারুক খানের পুনর্বহাল: গ্রাহকদের আস্থা ও ব্যাংকের সুশাসন নিশ্চিত করতে এমডি জনাব মোঃ ওমর ফারুক খানের ছুটি অবিলম্বে বাতিল করে তাকে স্বপদে পুনর্বহাল করতে হবে। বিতর্কিত আইন বাতিল ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ বন্ধ: ব্যাংক ডাকাতদের পুনর্বাসনের জন্য সংযোজিত ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ১৮/ক ধারা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ‘অবৈধ হস্তক্ষেপ’ ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বন্ধ করতে হবে। প্রকৃত মালিকানা হস্তান্তর ও এস আলমের বিচার: এস আলম গ্রুপ যে প্রকৃত মালিকদের হাত থেকে অবৈধভাবে ব্যাংকটি দখল করেছিল, দ্রুত তাদের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে। একই সাথে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে অর্থ আত্মসাৎকারী এস আলমের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের শেয়ার নগদায়ন করে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে। এএমডি কামাল উদ্দিন জসীমের বহিষ্কার: ব্যাংকের শান্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশ ধ্বংস করার পেছনে লিপ্ত থাকার এবং এস আলমের দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) কামাল উদ্দিন জসীমকে অবিলম্বে ব্যাংক থেকে বহিষ্কার করতে হবে।চেয়ারম্যান ডঃ জুবায়দুর রহমানের পদত্যাগ: ব্যাংকের দৈনন্দিন কাজে অবৈধ হস্তক্ষেপ এবং ব্যাংকের দৃশ্যমান কোনো উন্নতি করতে না পারার ব্যর্থতার দায় নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান ডঃ জুবায়দুর রহমানের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ইসলামী ব্যাংক আমাদের আস্থার জায়গা। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল এই ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে। আমরা আমাদের আমানতের নিরাপত্তা চাই এবং ব্যাংকের সুশাসন ফেরাতে ওমর ফারুক খানকে আবারও এমডি হিসেবে দেখতে চাই।”

গ্রাহকেরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বর্তমানে একীভূত হওয়া ৫টি ব্যাংকের আমানতকারীরা যেভাবে সংকটে পড়েছেন, ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের অবস্থা তেমন হলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার বাংলাদেশ ব্যাংককে নিতে হবে। এর আগে গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে ‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক সমন্বয় পরিষদ’-এর পক্ষ থেকে এই দাবিগুলো সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর পাঠানো হয়। আজকের মানববন্ধনে এডভোকেট মনিরুজ্জান এর সঞ্চালনায় ব্যাংকের গ্রাহক অধ্যাপক শহীদুল্লাহ, অধ্যক্ষ মোনায়েম মুন্না, প্রবীণ গ্রাহক,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: খাইরুল ইসলাম খোকন, সাবেক ব্যাংকার জনাব আবু জাহের,সাবেক অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান, সাবেক ব্যাংকার বেলাল হোসেন,সালমা বেগম, ফাতেমা আক্তার, জুঁই আক্তার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এদিকে মানববন্ধন চলাকালে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংক এলাকার আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।

কবিতা- পুরুষ পাঠ -২ রত্না মাহমুদা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
   
কবিতা- পুরুষ পাঠ -২ রত্না মাহমুদা

পুরুষের আশ্রয়, নারীর প্রশ্রয়—

নারী, তুমি ভালোবেসে দেখো,

পুরুষ তোমার যপমাল্য গলে পরবে।

নারী, তুমি মুক্তমনা হয়ে দেখো—

পুরুষ তোমার অহংকারের পালক হবে।

তুমি নারী, শুধুই পারো,

কৈফিয়তের পসরা সাজাতে,

যে কৈফিয়তে ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ে

বারবার দূর সীমানায় হয়,

তোমার শখের পুরুষের বাস।

ভালোবাসা বড় নির্মম,

নারী, তুমি বড়ই নির্দয়।

পুরুষ, পুরুষ করো—

অথচ পুরুষের মন বোঝো না!