খুঁজুন
বুধবার, ২৭শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়  ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ: কর্মসংস্থানে নতুন আশার আলো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়  ইপিজেড স্থাপনের উদ্যোগ: কর্মসংস্থানে নতুন আশার আলো

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের তিনলাখ পীর এলাকায় একটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে প্রয়োজনীয় স্থাপনা নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্ভাবনাময় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে এলাকায় শিল্পায়নের গতি বাড়বে এবং বিপুলসংখ্যক বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এতে কসবা উপজেলার সার্বিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী।

এদিকে, ইপিজেড স্থাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা)-এর চেয়ারম্যানের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানানো হয়েছে। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিনাউটি ইউনিয়নের তিনলাখ পীর এলাকা ইতোমধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রোথ সেন্টার হিসেবে পরিচিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত উন্নত। পাশাপাশি আখাউড়া রেলওয়ে জংশন ও স্থলবন্দরের নিকটবর্তী হওয়ায় পণ্য পরিবহন ও কাঁচামাল সংগ্রহে এলাকাটি বিশেষ সুবিধাজনক।

রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা থাকায় এ অঞ্চলকে শিল্পায়নের জন্য অত্যন্ত উপযোগী বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবেদনে আরও বলা হয়, এলাকায় বিপুলসংখ্যক প্রবাসী জনগোষ্ঠী রয়েছে, যারা বিদেশে অর্জিত দক্ষতা দেশে কাজে লাগাতে পারবেন। ফলে ইপিজেড স্থাপিত হলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

এ উদ্যোগের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জেলা বিএনপির নির্বাহী সদস্য আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন কসবা উপজেলার বাসিন্দারা।
পাশাপাশি কসবা উপজেলায় বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

আবেদনকারী আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূঁইয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করে দ্রুত প্রকল্পটি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা,দ্রুত সময়ের মধ্যে ইপিজেড প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে কসবা উপজেলায় কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ের ‘গ্র্যান্ড ফেলিসিটেশন’ অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬, ৭:২২ অপরাহ্ণ
   
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিংয়ের ‘গ্র্যান্ড ফেলিসিটেশন’ অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ব্রাঞ্চের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য “Grand Felicitation” (কৃতী শিক্ষার্থী সংবর্ধনা) প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষে ফোকাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন স্বনামধন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া একঝাঁক মেধাবী শিক্ষার্থীকে এ সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফোকাস বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার মহাপরিচালক জুলফিকার হায়দার রাফি। ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার পরিচালক ইয়াছিন আরাফাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইম্পেরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মনির হোসেন।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ফোকাসের সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ।
আতাউল্লা সজীব (সিনিয়র শিক্ষক, সাধারণ জ্ঞান বিভাগ)
ইলিয়াস হোসেন (সিনিয়র শিক্ষক, বাংলা বিভাগ)
জাহিদ উদ্দিন (সিনিয়র শিক্ষক, ইংরেজি বিভাগ)
অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত চমৎকারভাবে সঞ্চালনা করেন ফোকাস ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার সহকারী পরিচালক মেহেরাব হোসেন।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ ও শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের এই অসাধারণ সাফল্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। বক্তারা বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ পাওয়া কেবল একটি নিয়মতান্ত্রিক অর্জন নয়, এটি দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার এক বিরাট সুযোগ। তারা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে সৎ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে নিজেদের মেধা ও যোগ্যতা দেশের কল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের ফোকাস পরিবারের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। নিজেদের সাফল্যের এমন আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা। এক আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে বর্ণিল এই আয়োজনের সফল সমাপ্তি ঘটে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
   
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের মানববন্ধন

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধিঃ

দেশের সর্ববৃহৎ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি’-এর স্থিতিশীলতা রক্ষা, সুশাসন নিশ্চিত, গ্রাহকদের আস্থা ফিরিয়ে আনা এবং এমডি ওমর ফারুকের পুনর্বহাল ও চেয়ারম্যানের পদত্যাগের
দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বিশাল মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (২৪ মে) সকাল ১০ ঘটিকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইসলামী ব্যাংক শাখার সামনে ‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক সচেতন ফোরাম-এর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়। মানববন্ধনে ব্যাংকের বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ গ্রাহক স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।

এ সময় আন্দোলনকারী গ্রাহকদের হাতে বিভিন্ন দাবি সংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ড দেখা যায় এবং তারা ব্যাংকের নিরাপত্তা ও আমানত রক্ষার পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দেন। মানববন্ধনে উপস্থিত বক্তা ও সাধারণ গ্রাহকেরা ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

তারা জানান, বিগত দিনে এস আলম গ্রুপ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে এবং ভুয়া এলসি, শেল কোম্পানি ও অনিয়মিত ঋণের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। এই আর্থিক কেলেঙ্কারির কারণে ব্যাংকের মূল ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকের সফল ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ ওমর ফারুক খানকে অন্যায়ভাবে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে, যা মূলত তাকে জোরপূর্বক পদচ্যুত করার একটি অপচেষ্টা। এর ফলে সাধারণ গ্রাহকদের মনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেকে ব্যাংক থেকে আমানত উত্তোলন শুরু করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ব্যাংকের ঐতিহ্য ও সুশাসন বজায় রাখতে গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের পক্ষ থেকে মূলত ৫টি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়: এমডি ওমর ফারুক খানের পুনর্বহাল: গ্রাহকদের আস্থা ও ব্যাংকের সুশাসন নিশ্চিত করতে এমডি জনাব মোঃ ওমর ফারুক খানের ছুটি অবিলম্বে বাতিল করে তাকে স্বপদে পুনর্বহাল করতে হবে। বিতর্কিত আইন বাতিল ও বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ বন্ধ: ব্যাংক ডাকাতদের পুনর্বাসনের জন্য সংযোজিত ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ১৮/ক ধারা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের ‘অবৈধ হস্তক্ষেপ’ ও বিতর্কিত সিদ্ধান্ত বন্ধ করতে হবে। প্রকৃত মালিকানা হস্তান্তর ও এস আলমের বিচার: এস আলম গ্রুপ যে প্রকৃত মালিকদের হাত থেকে অবৈধভাবে ব্যাংকটি দখল করেছিল, দ্রুত তাদের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে। একই সাথে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে অর্থ আত্মসাৎকারী এস আলমের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং তাদের শেয়ার নগদায়ন করে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হবে। এএমডি কামাল উদ্দিন জসীমের বহিষ্কার: ব্যাংকের শান্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশ ধ্বংস করার পেছনে লিপ্ত থাকার এবং এস আলমের দোসর হিসেবে কাজ করার অভিযোগে অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) কামাল উদ্দিন জসীমকে অবিলম্বে ব্যাংক থেকে বহিষ্কার করতে হবে।চেয়ারম্যান ডঃ জুবায়দুর রহমানের পদত্যাগ: ব্যাংকের দৈনন্দিন কাজে অবৈধ হস্তক্ষেপ এবং ব্যাংকের দৃশ্যমান কোনো উন্নতি করতে না পারার ব্যর্থতার দায় নিয়ে বর্তমান চেয়ারম্যান ডঃ জুবায়দুর রহমানের অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া একাধিক গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ইসলামী ব্যাংক আমাদের আস্থার জায়গা। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল এই ব্যাংকিং খাতকে ধ্বংসের পাঁয়তারা করছে। আমরা আমাদের আমানতের নিরাপত্তা চাই এবং ব্যাংকের সুশাসন ফেরাতে ওমর ফারুক খানকে আবারও এমডি হিসেবে দেখতে চাই।”

গ্রাহকেরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বর্তমানে একীভূত হওয়া ৫টি ব্যাংকের আমানতকারীরা যেভাবে সংকটে পড়েছেন, ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের অবস্থা তেমন হলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার বাংলাদেশ ব্যাংককে নিতে হবে। এর আগে গত ২০ মে ২০২৬ তারিখে ‘ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক সমন্বয় পরিষদ’-এর পক্ষ থেকে এই দাবিগুলো সম্বলিত একটি স্মারকলিপি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বরাবর পাঠানো হয়। আজকের মানববন্ধনে এডভোকেট মনিরুজ্জান এর সঞ্চালনায় ব্যাংকের গ্রাহক অধ্যাপক শহীদুল্লাহ, অধ্যক্ষ মোনায়েম মুন্না, প্রবীণ গ্রাহক,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: খাইরুল ইসলাম খোকন, সাবেক ব্যাংকার জনাব আবু জাহের,সাবেক অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান, সাবেক ব্যাংকার বেলাল হোসেন,সালমা বেগম, ফাতেমা আক্তার, জুঁই আক্তার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এদিকে মানববন্ধন চলাকালে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাংক এলাকার আশেপাশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল।

কবিতা- পুরুষ পাঠ -২ রত্না মাহমুদা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ১১:১৬ অপরাহ্ণ
   
কবিতা- পুরুষ পাঠ -২ রত্না মাহমুদা

পুরুষের আশ্রয়, নারীর প্রশ্রয়—

নারী, তুমি ভালোবেসে দেখো,

পুরুষ তোমার যপমাল্য গলে পরবে।

নারী, তুমি মুক্তমনা হয়ে দেখো—

পুরুষ তোমার অহংকারের পালক হবে।

তুমি নারী, শুধুই পারো,

কৈফিয়তের পসরা সাজাতে,

যে কৈফিয়তে ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ে

বারবার দূর সীমানায় হয়,

তোমার শখের পুরুষের বাস।

ভালোবাসা বড় নির্মম,

নারী, তুমি বড়ই নির্দয়।

পুরুষ, পুরুষ করো—

অথচ পুরুষের মন বোঝো না!